প্রবাসির খবর

বাড়িতে টাকা পাঠাতে না পারলে মায়ের মতো বাবার জা’নাজাটাও পড়তে পারবোনাঃপ্রবাসী

গল্পটি আমাদের একজন প্রবাসী ভাইয়ের । উনার বাড়ি রাজশাহী।
বাড়িতে টাকা পাঠানোর জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছে।

উনার সামনে ছিলো মোটামুটি ২০-২২ জন, যার ফলে উনাকে ব্যাংকের বাইরে রো’দের মধ্যে দাঁড়াতে হচ্ছিলো। খেয়াল করে

দেখলাম উনি খুব হাঁ’পা’চ্ছেন এবং বেশ কয়েকজনকে বলতেছে উ’নাকে একটু আগে সু’যোগ দেয়ার জন্য, কিন্তু কেউ সুযোগ

দি’চ্ছিলোনা। শেষে নিজে উনাকে ডেকে এনে আমার জায়গাটা ছেড়ে দিয়ে আমি উনার জয়গায় গিয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এ কি

মানুষটার মধ্যে সামান্য কৃ’তজ্ঞ’তাবো’ধও দেখলামনা। অন্তত ধন্যবাদটা দিতে পারতো!! ভাবলাম কাজ শেষ করে বের হলে গা’লি দিয়ে দিবো একদম, মনে মনে নিজেকে নিজে গা’লি দিচ্ছিলাম। ১২-১৪ মিনিট পর উনি টাকা জমা দিয়ে আসার সময়

খুব কৃত’জ্ঞতা ভরে শু’করা’ন বললো। হাসি মুখে আমিও বললাম আফওয়ান, আর মনে মনে বললাম থাক আর দরদ দেখাতে হবেনা । তাও কৌতুহল বসত জিজ্ঞেস করলাম -ভাই এতো তাড়া কিসের জন্য ? উনি বললো ভাই কাজ থেকে আসছি মালিক

আধা ঘন্টার সময় দিছে, এসময়ের মধ্যে না যেতে পারলে আজকের বেতনটা কে’টে ফেলবে ভাই। তার উপর ভাই দৌড়ে আসার কারণে রো’দে মা’থা ঘু’রাচ্ছে। -তাহলে আজ না পাঠিয়ে কাল বা পরশু সময় সুযোগ করে পাঠাতে পারতেন! উনি বললো

না ভাই বাবার ক’রো’না হইছে, এই নিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা পাঠাচ্ছি, টাকা না দিলে ওরা চিকি”ৎসা বন্ধ করে দেয়। ভাই মা নাই এখন বাবাকেও হা’রা’তে হবে মনেহয়। এখন যদি বাবার কিছু হয় তাহলে মায়ের মতো বাবার জা’না’জা’টাও পড়তে

পারবোনা। এই বলে মানুষটা চো’খের পানি ছেড়ে দিছে। আমি আর বেশি কিছু বলে উনার সময় ন’স্টও করতে চাইনি, সাথে দুঃখ’টাও বাড়াতে চাইনি। সংগৃহীত

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
Close