দুঃখজনক বিষয়

“আ’মি এ’কা ‘গে’লে বা’চ্চা’রা ‘মা ‘মা ‘বলে ‘হা’হা’কা’র ‘ক’র’বে তা’ই ‘ও’দে’র নি’য়ে’ই চ’লে’ গে’লা’ম”

“ঠাকু’র’গাঁওয়ে মা ও দুই সন্তা’নের উদ্ধারের পর ‘আরিফা” বেগমের লেখা দুই পৃষ্ঠার একটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
“চিঠিতে আরিফা ‘বেগম তার চলে কারণ “লিখে রেখে গেছেন। গত (১৬ অক্টোবর, শুক্রবার)

সন্ধ্যায় “বাড়িতে ‘মেয়ের পড়ার টেবিলে ‘ব’ই চা’পা দেওয়া ‘চিঠিটি উদ্ধার’ করা হয়’।রানীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ ইকবাল জানান,

আরিফার ঘরে তার মেয়ের বই-খাতা দিয়ে চাপা দেওয়া অবস্থায় একটি চিঠি খুঁজে পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন : কবুতরটির নাম নিউ কিম। দুই বছর বয়সী মেয়ে কবুতরটিকে সম্প্রতি
বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হয়েছিল। রবিবার অনুষ্ঠিত এক নিলামে ১৯ লাখ ডলার যা বাংলাদেশী ১৬ কোটিরও বেশি দাম

হেঁকে কবুতরটি কিনে নিয়েছেন চীনের একজন ধনী ব্যক্তি।
এটি অবশ্য কোনও সাধারণ কবুতর নয়। নিউ কিম একটি বিশেষ প্রজাতির কবুতর। যার পরিচয় ‘রেসিং পিজন’ হিসেবে। আর এটি ছিল রেসিং পিজন বিক্রির ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড। এই বিশেষ

প্রজাতির কবুতরের কাজ হল ওড়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া। সাধারণত কবুতরগুলোকে একশ থেকে এক হাজার দূরত্বের কোনও স্থানে ছেড়ে দেওয়া হয়। সবচেয়ে আগে উড়ে যে বাড়ি পৌঁছাতে পারবে সে বিজয়ী। মোটা অংকের অর্থ মিলবে তার মালিকের।

কবুতরদের এই প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ বিজয়ী আর্মান্ডো, যাকে পরে ফর্মুলা ওয়ান রেস চ্যাম্পিয়ন লুইস হ্যামিলটনের নামে নামকরণ করা হয়। নিউ কিমও ২০১৮ সাল থেকে বেশ কটি প্রতিযোগিতায় জিতেছে এবং এরপর সে অবসরে গেছে। অবসর জীবনে বেশ কিছু ছানার জন্ম দিয়েছে সে। নিউ কিমের মালিক

একটি বেলজিয়ান পরিবার, এই বিপুল পরিমাণ অর্থে কবুতরটি বিক্রি হওয়ায় রীতিমতো বিস্মিত। যে চীন ধনাঢ্য ব্যক্তি তাকে কিনেছে তার শখ হল রেসিং পিজন সংগ্রহ করা। চীনে সম্প্রতি পিজন রেসিং খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

নিউ কিম মেয়ে কবুতর হওয়ায় তার দাম এত বেশি হয়েছে কারণ তাকে এই প্রজাতির কবুতর প্রজননে কাজে লাগানো যায়। নিলামে বিজয়ী চীনা নাগরিক নিউ কিমকে এই প্রতিযোগী প্রজাতির কবুতর প্রজননে কাজে লাগাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close