আলোচিত বাংলাদেশ

১৫ দিনে ভেঙে গেছে গ্রামবাসীর স্বপ্ন

বছরের পর বছর কাঁচা রাস্তা দিয়ে চলাচল করেছিল গ্রামের মানুষ। হাঁটুপানি আর কাদা মাড়িয়ে যাতায়াত ছিল নিত্যসঙ্গী। পাকা একটি রাস্তার স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে স্বপ্নপূরণ হলো। কিন্তু ১৫ দিনে ভেঙে গেছে তাদের স্বপ্ন।

৮০ লাখ টাকায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের ঘরগ্রাম পূর্বপাড়ায় এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়। ১৫ দিনে রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, আমাদের জীবনটা কেটে গেলো একটা পাকা রাস্তার আশায়।

অসংখ্য জায়গায় ধরনা দিয়েছি। এরপর নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়। মাঝে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কাজ শেষ করার ১৫ দিনে ভেঙে পড়ে রাস্তাটি। উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৮০ লাখ টাকায় ১১০০ মিটার রাস্তার কাজ পায় তন্ময় এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

গত বছরের ১৫ মে কাজ শুরু হয়ে চলতি বছরের ৩০ জুলাই শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অনেক দেরিতে কাজ শুরু হয়। শেষে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে চলতি বছরের ৩০ জুলাই কাজ শেষ হয়। একই দিনে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে শতভাগ বিল তুলে নেন ঠিকাদার। গত ১৪ আগস্ট রাস্তাটি ভেঙে যায়। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-

সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তার কাজের মান নিয়ে সমস্যা নেই। নতুন রাস্তা, এ জন্য ভেঙে পড়েছে। তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কাজ করা হয়েছিল। অনিয়ম পাওয়ায় আমরা মাঝখানে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে আবার কাজ করা হয়েছে। ধসে যাওয়া রাস্তা বর্ষা শেষে মেরামত করে দেওয়া

হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তন্ময় এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এম.এ আল বাকি বলেন, বর্ষা মৌসুম হওয়ায় রাস্তাটি ধসে গেছে। বর্ষার পর সংস্কার করে দেবো। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তন্ময় এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এম.এ আল বাকি বলেন, বর্ষা মৌসুম হওয়ায় রাস্তাটি ধসে গেছে। বর্ষার পর সংস্কার করে দেবো।  স্থানীয় সরকার

প্রকৌশল অধিদফতরের সিরাজগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি জানি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তন্ময় এন্টারপ্রাইজকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন মাটি পাওয়া যাচ্ছে না তাই বর্ষার পর রাস্তাটি করে দেওয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close