আন্তর্জাতিক

তালেবানকে বর্তমান অবস্থায় নিয়ে এসেছে কাতার!

মার্কিন সেনা প্র’ত্যাহা’রের মধ্যদিয়ে আফগানিস্তা’নে ইতি ঘটেছে দীর্ঘ ২০ বছরের র’ক্তক্ষ’য়ী সংঘ’র্ষে’র। ফের ক্ষ’মতায় ফিরেছে তালে’বান। কিন্তু বর্তমান এই বাস্তবতার পেছনে নীরব ভূমিকা রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার।

যুক্তরাষ্ট্র ও তালে’বানকে এক টেবিলে আনতে দীর্ঘ দিন ধরে মাঠ প্রস্তু’ত করেছিল দোহা। তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি চু’ক্তি থেকে শুরু করে আফ’গা’ন ইস্যুতে কাতারের ভূমিকা ছিল বিস্তৃত ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভি’যানের মধ্যদিয়ে আফগানিস্তানে

পত’ন ঘটে তালে’বান শাসনের। পুনরায় ক্ষ’মতায় ফিরতে মার্কিন সেনাদের বি’রু’দ্ধে শুরু করে সশ’স্ত্র’ ল’ড়াই। আন্তর্জাতিক সম্প্রদা’য়ের চা’পের মুখে কোণঠাসা হয়ে পড়ে সশ’স্ত্র এ গোষ্ঠী। বন্ধ হয়ে যায় স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্যক্রম। তালে’বানের সেই দুর্দিনে পাশে দাঁ’ড়িয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার। গোষ্ঠী’টিকে

স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে ভেতরে-বাইরে কূ’টনৈতিকসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেছে দেশটি। আফগানিস্তা’নের বর্তমান বাস্তবতার জন্য প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান কিংবা চীনের ভূমিকা সামনে এলেও আড়ালেই রয়েছে কাতারের অবদান। গোষ্ঠীটিকে স্বাভাবিক পথে ফিরিয়ে আনতে দোহায় রাজনৈতিক কার্যালয় খোলার অনুমতি দিয়েছিল কাতার প্রশাসন।

সেখান থেকেই বিভিন্ন দেশের সাথে রাজনৈতিকভাবে যোগাযোগ র’ক্ষা করেছে তালে’বান। ২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তালেবানের শা’ন্তিচু’ক্তির আগে দীর্ঘ আলোচনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে মাঠ প্রস্তুত করেছিল কাতার। এমনকি ক্ষমতাচ্যুত আশরাফ গনি সরকারের সাথে তালে’বানের আলোচনার জন্যও পর্দার আড়াল থেকে কাজ করেছে দেশটি।

রাজনীতি বিশ্লে’ষকরা বলছেন, ২০০১ সালে তালে’বান আর বর্তমান তালে’বানের যে পার্থক্যের কথা বলা হচ্ছে। এর পেছনেও বড় ভূমিকা রয়েছে দোহার। গোষ্ঠীটিকে কট্ট’র র’ক্ষণশীলতার বেড়াজাল থেকে বেরি’য়ে কিছুটা উদার করতেও অবদান রাখছে দেশটি। দীর্ঘ ২০ বছরের আফগান যু’দ্ধ শেষে এবার দেশটির

অবকাঠা’মো উন্নয়নে সহযোগিতার বাড়িয়েছে কাতার সরকার। মার্কিন সেনা কাবু’ল ছেড়ে যাওয়ার পর হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংস্কা’র করে পুনরায় চালুর জন্য একটি কা’রিগরি দল পাঠিয়েছে দোহা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close