ইসলামিক ওয়ার্ল্ড

পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে ও সুন্দর ছিলেন আমাদের-নবী মহাম্মদ (সাঃ)’

প্রায় দেড়-হাজার বছর আগে পৃথিবী এমন সভ্য, সুন্দর ছিল না। ছিল জাহিলিয়া’তে ঢাকা। কারণ মানুষ তখন ভুলে গিয়েছিল
নিজেদের পরিচয়। ভুলে গিয়েছিল তারা মানুষ।ফলে পশুত্বের চেয়েও নিকৃষ্ট হয়ে উঠেছিল

তাদের মন। তারা এতটাই অমানবিক ছিল, নিজের ঔরসজাত সন্তানাদি’কেও জী’বন্ত মাটিতে পুঁ’তে
ফেলত। হা’নাহা’নি, মা’রামা’রি, র’ক্তার’ক্তি, কাফেলা লু’ট, নারী নির্যা’তনসহ এমন কোনো মন্দ কাজ নেই, যা তারা

করত,না। এমনই এক অন্ধ’কারাচ্ছন্ন সময়ে সমাজব্যবস্থাকে আমূল পরিবর্তনের জন্য সে ছিলেন এক মহা’মানব যাঁর নাম মুহাম্মদ
(সাঃ)। তিনি এক আশ্চর্যময় পরি’বর্তন আনেন সমাজে।ঐশী আলোয় আলোকিত। নূরের চেরাগ জ্বলে। তিনি মক্কার কুরাইশ

বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন আবদুল্লাহ। আর মাতা আমিনা।বাবা-মাহারা শিশু মুহাম্মদ বড় হতে থাকেন দাদা আবদুল মুত্তালিব এবং চাচা আবু তালিবের আদরে। শৈশবেই তিনি
সত্য’বাদিতা আর সদাচরণে সবার প্রিয় হয়ে ওঠেন।

আমানত,দারির বিশ্বস্ততায় উপাধি পান ‘আল-আমিন’ তথা বিশ্বাসী। সেই যুগে মানুষ যখন কারণে অকারণে হ’ত্যা, লু’টতরা’জ, ম’দ্যপান, জো’য়া, নারী নি’র্যাতন হী’ন কর্মকাণ্ডে উন্মাদ হয়ে থাকত, তখন যুবক মুহাম্মদ (সা.) চিন্তা’মগ্ন

থাকতেন মানব’তার মুক্তির।
কীভাবে এ বর্বরোচিত সমাজের পরিবর্তন হবে, মানুষ সত্যি’কারের মানুষে পরিণত হবে এ ধ্যানেই মগ্ন থাকতেন দিন-রাত। চল্লিশ বছর বয়সে হলেন নবী ও রাসূল। প্রভুর ঐশী বাণীকে মানুষের

কাছে তুলে ধরলেন।দয়ার সাগর নবীজি অবিশ্বাসী’দের বিদ্রুপ, অমানুষিক নি’র্যাতনে ক্ষুব্ধ’ না হয়ে তাদের প্রতি দয়া দেখিয়ে
করুণাময় রবের কাছে তাদেরই জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।তাদের ভালো’বাসা দিয়ে সত্যের পথে ডেকেছেন। কারণ তিনি যে দয়ার

নবী আল্লাহ’তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে এসেছে তোমাদের মধ্যকার এমন একজন রাসূল, তোমাদের দুঃখ যার কাছে দুঃসহ। তিনি তোমাদের হিতা’কাক্সক্ষী, বিশ্বাসীদের প্রতি স্নেহ’শীল, দয়াময়।’ (সূরা তাওবা : ১২৮)।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close