আলোচিত বাংলাদেশ

ব্রিজ আছে স’ড়ক নেই, বিপাকে ফ’রিদপুরের ১৩ গ্রামের মানুষ

তিন বছর আগে ফরিদপুরের সা’ল’থা উপজে’লার ভাওয়াল ইউনিয়নের তুগলদিয়া বে’দা’খা’লী খালের ওপর ৩০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি ব্রিজ নি’র্মা’ণ করা হয়। একই সময়ে শিহিপুর গ্রামেও একই

প’রি’মা’ণ অর্থ ব্যয়ে নি’র্মা’ণ করা হয় আরেকটি ব্রিজ।কিন্তু নি’র্মা’ণের পর এতোদিন পেরিয়ে গেলেও ব্রিজ দুটি মানুষের কোনো কাজে আসছে না। কারণ ব্রিজ নি’র্মা’ণ হলেও নি’র্মা’ণ হয়নি সংযোগ সড়ক। ব্রিজের সঙ্গে সংযু’ক্ত চলাচলের

স’ড়’কগুলোও কাঁচা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, শিহিপুরের ব্রিজটি নি’র্মা’ণ করা হয়েছে ফ’স’লি জমির মাঠের মধ্যে। চলতি ব’র্ষা’য় বৃষ্টির পানিতে ব্রিজের আশপাশের এলাকা ত’লি’য়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দু’র্যো‹গ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু ও কালভার্ট নি’র্মা’ণ প্র’ক’ল্পের আওতায়

২০১৮-১৮ অর্থবছরে ব্রিজ দুটি নি’র্মি’ত হয়। এর মধ্যে বেদাখালী খালের ওপর ব্রিজটির ফলকে নি’র্মা’ণ ব্যয় লেখা রয়েছে ৩০ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। তবে শিহিপুরে ফ’স’লি মাঠের ওপর নির্মিত ব্রিজের নি’র্মা’ণ ব্যয় জানা যায়নি। কারণ সেখানে কোনো নামফ’ল’ক পাওয়া যায়নি। স্থানীয় এলজিইডি অ’ফি’সও এ

বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি। তারা বলছেন, শিহিপুর ব্রিজের ফা’ই’লই খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। স্থানীয়রা জানান, ব্রিজ নি’র্মা’ণের পর বলা হয়েছিল দ্রুতই সংযোগ স’ড়’ক হবে। রাস্তাও পাঁকা হবে। তবে তিন বছর পেরিয়ে গেলেও তা করা হয়নি। ইউসুফ শেখ নামের স্থানীয় একজন বা’সি’ন্দা বলেন,

‘শুকনার সময় জি’জ্ঞে’স করলে তারা বলে কিছুদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। আর বর্ষাকালে বলে শুকনো মৌ’সু’ম না এলে কাজ শুরু হবে না।’এ বিষয়ে উপজে’লা প্র’ক’ল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পরিতোষ বাড়ৈই বলেন, ব্রিজের দুইপাশে সংযোগ স’ড়’ক নি’র্মা’ণে চেয়ারম্যান প্র’ক’ল্প গ্রহণ করেছেন।

এখন ক্ষেতের পাট বড় হয়ে গেছে। এজন্য প্র’ক’ল্পের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। ভাওয়াল ইউনিয়ন প’রি’ষ’দের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফ’কি’র মিয়া বলেন, বর্তমানে রাস্তার

মাটি কাটার ব্য’ব’স্থা নেই। শুকনো মৌ’সু’ম এলে মাটি কেটে রাস্তা বানিয়ে দেব। এজন্য সাড়ে চার লাখ টাকার প্র’ক’ল্প পাস হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close