ইসলামিক ওয়ার্ল্ড

হাত নেই মুখ দিয়ে পাতা উল্টিয়ে কুরআনের হাফেজ

৩৫ বছর বয়সী তারিক আল-ওদায়ীকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি। জন্ম থেকেই হাত-পা নেই। তারিক আল-ওদায়ী পেটে ভর করে পথ চলেন। কঠিন রোগে ভোগেও তিনি মুখ দিয়ে পবিত্র কোরআনের পাতা উল্টিয়ে

৩০ পারা মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছেন। অদম্য স্পৃহায় চার বছরে কোরআনের হাফেজ হয়েছেন তিনি। মুখ দিয়ে পবিত্র কোরআনের পাতা উল্টিয়ে নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াত করেন তারিক। সৌদি আরবের আসির প্রদেশের সিরাহ ওবাইদা শহরের ৩৫ বছর বয়সী

এই তারিক আল-ওদায়ীর বাসায় গিয়ে তার শিক্ষক পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও হেফজ প্রশিক্ষণ দিতেন। এছাড়াও তারিক টেলিফোন এবং কম্পিউটার চালানো শিখেছেন ও সামাজিক নেটওয়ার্কেও তিনি সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন আলেম’দের সঙ্গে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখেন বলে জানা গেছে। সৌদি

আরবের আসির প্রদেশের কোরআন হেফজ সেন্টারের সহযোগিতায় তিনি চার বছরে সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের গণনায় মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মর্যাদার মাস হলো মাহে রমজান। এটা ফ;যি;লা;তের মাস, গুনাহ মাফের মাস, স;ব;চে;য়ে বেশি

সওয়াব অ;র্জ;নের মা;স। মাহে রমজানকে বলা হয় মুসলমানদের জন্য নেকি অর্জন করার মৌসুম। মাহে রমজানের প্রধান আমল হলো ফরজ রোজা। রোজা ফার্সি শব্দ, যার অর্থ ‘বিরত থাকা’। আরবিতে বলা হয় সিয়াম, অর্থ ‘বিরত থাকা’, আত্মসংযম করা’ ইত্যাদি। পরিভাষায় সুবহে সাদিক হতে সূর্যাস্ত

পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজা ভঙ্গ হওয়ার সকল বিষয় থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম। আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে মুমিনগণ তোমাদের ওপর রোজার বিধান দে;ওয়া হ;য়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য ও বিধান দেওয়া হয়েছিল। যেন তোমরা মু;ত্তা, কী হতে পারো।

(সূরা বাকারা:১৮৩) র;ম;জান মা;স আ;সে মা;নু;ষের জ;ন্য জা;ন্না;তে;র সু;সংবাদ নি;য়ে। তাইতো রাসুল (সা:) বলেন, রমজান মাস যখন আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃংখলাবদ্ধ করা হয়। (নাসায়ী, আল মুসতাদরাক) এই মাস মুমিনের অতীতের গুনাহ সমূহকে মুছে দেয়। রাসুল (সা:)

বলেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াব অর্জনের নিয়তে রমজানের সিয়াম পালন করবে তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (বোখারী ও মুসলিম) রমজান মাস সহানুভূতির মাস। রমজান মাস এলে রাসূল (সা:) দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের প্রতি দান সদকা করতে উৎসাহিত করেছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close