আন্তর্জাতিক

নতুন আফগানিস্তান গড়ার সংকল্প উজ্জীবিত তালেবানের

আমেরিকার ২ জুলাই বাগরাম বিমান ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এই বিষয়ে কাবুল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে আগে থেকে কোনো কিছু বলেনি। এমনকি ঘাঁটিটি তারা কাবুল সরকারের

কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর পর্যন্ত করেনি। এ যেন চুরি করে পালানো। গত ২৯ জুন জার্মানি এবং ৩০ জুন ইতালি তাদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নেয়। ২ জুলাই পর্যন্ত আফগানিস্তানের আমেরিকান সৈন্য ছিল ২,৫০০ হাজার এখন তা এক হাজারের কাছাকাছি। বাকি সব সৈন্য ১১

সেপ্টেম্বরের মধ্যেই চলে যাওয়ার কথা। আমেরিকার পক্ষ থেকে যদিও ৬৫০ জন্য সেনা কূটনৈতিক কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিরাপত্তার জন্য আফগানে অবস্থান করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তালেবান বলছে, এমনটি শান্তিচুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়া কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রশ্নে তুরস্কের সাথেও সম্পর্কের বৈরিতা তৈরি হয়েছে তালেবানের। পাকিস্তানের সাথেও সম্পর্কে ক্ষেত্রে শিথিলতার কথা খোদ ইমরান খান উল্লেখ করেছেন। তালেবানের হঠাৎই একলা চলার নীতি অবলম্বন করার কারণই বা কি?

তালেবানের এমন আচরণ কি কোনো বিশেষ বার্তা বহন করে?
এদিকে আন্তঃআফগান আলোচনার নেই কোনো অগ্রগতি। দু’পক্ষের অনড় অবস্থান প্রমাণ করে রাজনৈতিক সমাধানের কথা আপাতত কেউ ভাবছে না। এ থেকেই গুঞ্জন উঠেছে তাহলে কি নতুন করে গৃহযুদ্ধে দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান? এখন দেখা যাক এই গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা কতটুকু বাস্তবসম্মত? জাতিসঙ্ঘ রিপোর্টে বলা হচ্ছে, কাবুল সরকারে সেনা সদস্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার, সাথে রয়েছে বিমানবাহিনী। তালেবান সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সংখ্যা বলা হয়েছে ৫৫-৬০ হাজার।অস্ত্র-শস্ত্রসহ সব দিক থেকেই আপাতদৃষ্টিতে কাবুল সরকার এগিয়ে আছে সন্দেহ নাই। তারপরও গত ১ মে

থেকে জুলাইয়ে ২ তারিখ পর্যন্ত ১০০ জেলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে কাবুল সরকার, সাথে ভারী অস্ত্র-শস্ত্র খোয়া গেছে। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৩ জেলার নিয়ন্ত্রণ হারানোর রেকর্ড রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৭১টি জেলার মধ্যে ১৫০টির বেশি জেলা তালেবানের দখলে। কোনো কোনো সূত্রের মতে ৩ ভাগের ২ ভাগ আফগান ভূমি তালেবানের দখলে কেউ এটাকে অর্ধেক পর্যন্ত বলছে। নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। কাবুল প্রশাসনের সাথে জড়িতরাও দেশ ছাড়ছে। একাধিক মার্কিন সূত্র বলছে সৈন্য প্রত্যাহারে পর কাবুল সরকার বড়জোর ৬ মাস টিকে থাকতে পারে। এই অবস্থায় গানি সরকার সাধারণ মানুষের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তালেবানের মোকাবেলা করার জন্য। অভ্যন্তীণ বাস্তবতার আলোকে বলতে গেলে সৈন্য ও শক্তির বিচারে

তালেবানের থেকে আফগান সেনাবাহিনী এগিয়ে থাকলেও একের পর এক জেলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। ১১ সেপ্টেম্বরে আগে তালেবান আরো বেশ কিছু অঞ্চল দখলে করে ফেলবে তা সহজেই অনুমেয়। বড় বড় শহর এবং জেলা শহরের বাইরে কাবুল সরকারের তেমন কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। উত্তরে প্রাদেশিক কুন্দুজ শহরকে তালেবান কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে, প্রাদেশিক শহরটির যেকোনো সময় পতন হতে পারে। দেশের অধিকাংশ হাইওয়ে তালেবানের দখলে। তাজিকিস্তান সীমান্ত ইতিমধ্যে তারা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। রাজধানী কাবুলও দেশের অন্য সব জেলা থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আঞ্চলিক সব পক্ষই হোক তা তালেবানের শত্রু বা মিত্র তালেবানকে মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে বাস্তবতার কাছে নতি স্বীকার করেই। পরিবর্তিত আফগানিস্তানে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর ভূমিকা

আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থান মধ্য এশিয়ায়। যার উত্তরে উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান;উত্তর-পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান। দক্ষিণ-পশ্চিমে জুড়ে রয়েছে ইরান। পূর্ব-দক্ষিণে পাকিস্তান এবং উত্তর-পূর্বে চীনের সাথে রয়েছে অল্প কিছু সীমান্ত। এখানে রাশিয়া-ভারত প্রাসঙ্গিক। দেশ দুটির সাথে সীমান্ত সংযোগ আফগানিস্তানের না থাকলেও তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ স্বার্থ জড়িত রয়েছে আফগানিস্তানের বিভিন্ন বিষয়ে। লক্ষ করে দেখা যায়, আফগানিস্তানের চারপাশে সব শক্তিশালী দেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক তেমন ভালো নয়, এক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম ভারত, ক্ষেত্র বিশেষ রয়েছে শত্রুতার। যেমন : চীন, ইরান, রাশিয়া। মার্কিনিদের আফগানিস্তান ত্যাগে তারা সবাই একে তাদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখতেই পারে।কারণ আফগানিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে দুরভিসন্ধিমূলক পরিকল্পনা ছিল

বিশেষত চীন ও রাশিয়াকে নিয়ে, তা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আর একারণে কাবুল সরকারের কোনো বন্ধুপ্রতীম সম্পর্ক এসব দেশের সাথে নেই বললেই চলে। বিশেষ করে তালেবানের কূটনৈতিক তৎপরতায় কাবুল সরকার এক্ষেত্রে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
এবার দেখা যাক আফগানিস্তানের সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এসব দেশের সম্ভাব্য ভূমিকা কী হতে পারে। পাকিস্তান : আপাতত পাকিস্তানের সাথে তালেবান দূরত্ব বজায় রাখার অন্যতম কারণ ওয়াশিংটনের ক্রমবর্ধমান চাপ রয়েছে পাকিস্তানের উপর যাতে তারা তালেবানকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে অংশ হয়ে কাবুল প্রশাসনের অবৈধ আবদার মেনে নিতে চাপ দেয়। সাথে তুরস্কের কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিষয়ে মধ্যস্থতার গুরুদায়িত্বও পাকিস্তানের ঘারে। তাই বলে যে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে এমনটা মনে করারও কারণ নেই। আফগানিস্তানের শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা পাকিস্তানের অন্যতম লক্ষ্য। যেকোনো পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ যে তালেবানের সাথে থাকবে তা বলাই বাহুল্য। রাশিয়া-চীন :

রাশিয়া, চীনের অভিন্ন স্বার্থ জরিত তালেবানের সাথে তারা উভয়ই আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে বিশেষ করে খনিজসম্পদ উত্তোলনে বিনিয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতেই তালেবানকে সমর্থন করবে। আর যেহেতু আমেরিকা নিজেই কাবুল সরকারকে প্রত্যাখান করেছে, তাহলে চীন বা রাশিয়া কেন কাবুল সরকারের দায়িত্ব নিতে যাবে? তালেবানের সাথে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেক শক্তিশালী বললেও অত্যুক্তি হবে না। চীনের বেল্ট এন্ড রোড প্রকল্পের জন্য আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে তালেবানকে সমর্থন করবে। চীন যে বিষয়টি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন তা হলো পূর্ব তুর্কমেনিস্তান ইসলামিক পার্টিকে নিয়ে। এই বিষয়ে তালেবানের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে- তা নিয়ে তাদের সংশয় আছে। কিন্তু তালেবান ইতিমধ্যেই চীনকে এই বিষয়ে আশ্বস্ত করতে পেরেছে বলেই মনে হয়। ইরান : ইরান-আমেরিকার সম্পর্ক কতটা উত্তপ্ত তা বলা নিষ্প্রয়োজন। তাই কাবুল সরকার ইরান থেকে মৌখিক আশ্বাস ছাড়া তেমন কিছুই আশা করতে পারে না।আর তালেবান যখন হাজারা শিয়াদের নিরাপত্তা বিষয়ে অঙ্গীকার বদ্ধ। এমনকি শূরা সদস্যদের মধ্যেও হাজারা শিয়া আলেমের অন্তর্ভুক্তির কথা শোনা যায়। তখন ইরান তালেবানের উপরই আস্থা রাখবে বলেই মনে হয়। ভারত : তালেবানের সাথে ভারতের সম্পর্ক কেমন হবে এটা অনেক বড় প্রশ্ন? কারণ দেশটিতে ক্রমবর্ধমান

হিন্দুত্ববাদের উত্থানে মুসলিম নিপীড়ন আগের সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কাশ্মিরের বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়া যায় না। শুধু কি তাই? আফগানিস্তানেও তাদের অপকর্মের শেষ নেই। তাদের নিয়ন্ত্রিত মিলিশিয়া গ্রুপও রয়েছে বলে মনে করা হয়। এছাড়া কাবুল সরকারের অন্যতম সহযোগী দেশ ভারত। যদিও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তারা তালেবানবিরোধী অবস্থান কিছুটা শিথিল করেছে। বিশেষত তালেবানের সাথে বৈরিতার কারণে তাদের যেমন অর্থনৈতিক বিরাট ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তেমনি রয়েছে পাকিস্তানের প্রভাব বৃদ্ধির ভয়। তাই না চাইলেও তালেবানকে মেনে নিয়েছে ভারত। তালেবানের সাথে একাধিক বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। এছাড়া মধ্য এশিয়ার অন্যান্য মুসলিম দেশও তালেবানকে উপেক্ষা করতে পারবে না। কারণ এসব দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় আফগানিস্তানের স্থিতিশীলতার উপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল। তা যেকোনো পক্ষ ক্ষমতায় আসুক তাতে তেমন কিছু যায় আসে না। তাই না চাইলেও বাস্তবতাকে মেনে নিতে হবে তাদের। এখন প্রশ্ন হলো, অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আফগানিস্তানের উদ্ভূত অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে কি গৃহযুদ্ধ বলা

যাবে? আর যদি এরকম কিছু ভবিষ্যতে ঘটে তাহলে এরজন্য দায়ী কে? আমাদের মনে রাখতে হবে ‘৯০-এর দশকের তালেবান আর আজকের তালেবানের শক্তি সামর্থ্য আর কূটনৈতিক দক্ষতা এক নয়। তালেবানের প্রায় ৪০ ভাগ সদস্য ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত। যাদের অনেকেই পশ্চিমের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী। সকল গোত্রের যোগ্য ধর্মীয় ব্যক্তিদের নিয়ে মজলিসে শূরা গঠন করে গোত্রতান্ত্রিক সংকীর্ণতা থেকে তারা তালেবান আন্দোলনকে মুক্ত করতে পেরেছে।
আর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিদায়ের পর যে গৃহযুদ্ধের সূচনা হয় তাতে তালেবান কোনো পক্ষই ছিল না। বিভিন্ন মুজাহিদ গ্রুপগুলো যখন ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে একে অপরের বিরুদ্ধেই ভ্রাতৃঘাতী এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। তখন মোল্লা ওমরের নেতৃত্ব কিছু তালেবে ইলম (মাদরাসার ছাত্র) সর্বপ্রথম শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামি হুকুমত কায়েমের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখে তালেবান আন্দোলন শুরু করে। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা, বিশুদ্ধ নিয়ত আর নববী কর্মপন্থা সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করে। সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে অংশ নেয়া ন্যায়পরায়ণ কমান্ডাররা দলে দলে মোল্লা ওমরের হাতে বায়াতবদ্ধ হয়ে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই এই আন্দোলন পুরো আফগানিস্তানে প্রভাব বিস্তার

করে। মানুষ নিপীড়ন থেকে বাঁচতে তালেবান আন্দোলনকে সমর্থন করে। যার মাধ্যমে তারা ১৯৯৬ সালে তৎকালীন কাবুল সরকারের পতন ঘটিয়ে আফগানিস্তানকে ইসলামি ইমারাহ গঠন করে মোল্লা ওমরকে আমীর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বায়াত দেয়। কিন্তু ৯/১১-এর পড়ে আমেরিকান আগ্রাসনে তালেবানের পতন হয়। পরে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে কমিউনিজমের জরায়ুতে বর্তমান কাবুল সরকারে জন্ম হয়। যারা কখনোই দেশটির বৈধ শাসন কর্তৃপক্ষ ছিল না। জনগণের মধ্যেও তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।
তাদের দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচারে মানুষ অতিষ্ঠ। তাই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আর উন্নত সব মিলিটারি ইক্যুয়েপমেন্ট নিয়ে, বিশ্বের সেরা সামরিক শক্তির সহায়তায় মাত্র ৫০-৬০ হাজার অস্ত্রধারী যোদ্ধাদের সাথে ২০ বছর যুদ্ধ শেষে, তাদের অর্জন বলে তেমন কিছুই নেই। আমেরিকার প্রস্থানে একের পর এক যুদ্ধে তারা পিছু হঠছে। পেরে না উঠে তারা নতুন কূটচাল হাতে নিয়েছে, তা হলো সাধারণ মানুষের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে গোত্রীয় বিভাজনকে উস্কে দেয়ার পাঁয়তারা করা। এভাবে দেশকে ঠেলে দিচ্ছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। তাই বর্তমানে যদি কোনো খারাপ

পরিস্থিতি সৃষ্টিকরার চেষ্টা করা হয়। এতেও তালেবান কোনো পক্ষ নয় বরং তারাই দেশটির বৈধ কর্তৃপক্ষ এবং তাদের সেই ন্যায়সঙ্গত আইনি বৈধতা রয়েছে দেশের আপামর জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করার। তবে আশার বিষয় হচ্ছে, তালেবান এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধ এড়াতে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। যারা শান্তিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করবে তাদের ক্ষমা করা হবে। তাদের জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তার ওয়াদা দিয়েছে তালেবান প্রশাসন। তাদের থে
কে কোনো প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে না। এতে সাড়াও মিলেছে, উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক কাবুল সেনা এই সুযোগে দল ত্যাগ করে আত্মসমর্পণ করছে। এর মাধ্যমে নতুন নতুন জেলা জয় করা তালেবানের পক্ষে অনেক সহজতর হচ্ছে।

লেখক : শিক্ষার্থী, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় [email protected]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close