দুঃখজনক বিষয়

একজন সংগ্রামী মা’য়ের গল্প,৪৫ জন পুরুষ কুলির মাঝে, ইনি একজন মহিলা কু’লি!

গাজী মামুন

কোন ম’হিলার জীবনে কম সংগ্রাম হয় না। যদি তার স্বামী মারা যায় তবে প’রিবারের শিশুদের দায় তার ওপর পড়ে। তাদের ঘর এবং বাহির ওভার দা’য়িত্ব পালন করতে হয়। আজ আমরা আ’পনাকে তেমনই একজন

সংগ্রামী মা’য়ের গল্প বলতে যাচ্ছি। তিনি তুলে হিসেবে কাজ করেন। সেই ম’হিলার নাম সন্ধ্যা এবং তিনি 31 বছর বয়সী প্রায়শই লো’কেরাই মহিলা গুলিকে দেখে অবাক হন তবে সন্ধ্যা লোকের চিন্তা’ভাবনা উপেক্ষা করে পুরো

শক্তি দিয়ে তার কাজ করেন। তিনি বলেন জী’বন তার কাছ থেকে তার জীবন সঙ্গী করে নি’য়েছেন। তার সব স্বপ্ন গুলো ভেঙে গেছে। কিন্তু তিনি তার বাচ্চাদের প’ড়ালেখা শিখিয়ে অফিসার বানাতে চান। তিনি তার বা’চ্চাদের নিয়ে আবার নতুন

স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন। তিনি এর জন্য কা’রোর কাছে হাত পাততে চান না। ক’থাগুলো শুনে আপনি অবশ্যই বু’ঝতে পেরেছেন তিনি একজন শ্রদ্ধাশীল ম’হিলা কারোর কাছে সাহায্য চাওয়ার প’রিবর্তে তিনি নিজের চেষ্টায় অর্থ উ’পার্জন করে তার ছেলে মেয়েকে মানুষ করছেন। তিনি একজন বৃদ্ধ শা’শুড়ি এবং

তিন সন্তান লালন পালনের জন্য দা’য়বদ্ধ এবং এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তিনি যা’ত্রীদের বোঝা বহন করে। তিনি তার কা’জের জন্য তার নামের রেলওয়ে কুলির লাইসেন্স পে’য়েছেন এবং এখন তিনি পুরো যত্ন ও সা’হসের সাথে এই কাজটি করেন।
তিনি যখন যা’ত্রীদের ওজন বহন করে রেলওয় প্লাটফর্ম

এ হাঁটেন তখন সমস্ত লো’ক তাকে দেখে অবাক হয় এবং তার সা’হসের প্রশংসা করে। সন্ধ্যা জানুয়ারি 2017 থেকে এই কা’জটি করে চলেছেন। তিনি আরো জানিয়েছেন যে তাকে বাধ্য কা’জটি করতে হয় কারণ তার বৃদ্ধ শাশুড়ি এবং তিন সন্তান লা’লন পালনের জন্য অর্থ উপার্জন করা অত্যন্ত জরুরি তিনি বলেছেন যে তিনি খা’টনিতে স্বামীর সাথে থাকতেন। তখন তিনি অন্যান্য

মহি’লাদের মতনই বাড়িতে থেকে বাচ্চাদের যত্ন করতেন। হঠাৎ করে তার স্বামী অ’সুস্থ হয়ে যায় এবং তাঁর এই অসুস্থতার দীর্ঘকাল স্থায়ী হতে থা’কে এবং তারপরে 22 অক্টোবর 2016 তে তিনি মারা যান। স্বামী মা’রা যাওয়ার পরে সন্ধ্যার কাধে সমস্ত দা’য়িত্ব এসে যায়

সন্ধ্যা বলেছিল যে আমি যখন কোন চা’করির সন্ধান করছিলাম তখন কেউ আ’মাকে বলেছিল যে রেলস্টেশনে কু’লির জন্য লোক নেওয়া হবে। আমার তখন পরি’বারের জন্য একটি চাকরির খু’বই প্রয়োজন ছিল। তখন আমি এই কাজের জন্য আ’বেদন জানাই। সন্ধ্যা জামালপুরে থাকেন এবং কাজের জন্য তিনি কু’ন্ডম থেকে ৯০ কিলোমিটার ভ্রমন করেন ক্রেতলি রে’লওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর জন্য। তিনি আরো বলেছেন যে রেলওয়ে স্টেশনে ৪৫

জন পুরুষ কুলি এবং তার মাঝে তিনি এ’কাকী মহিলা কুলি হিসেবে কাজ করেন। সন্ধ্যার তি’নটে বাচ্চা সাহিলের বয়স 8 বছর হরষিত বছর এবং কন্যা পায়েলের বয়স ৪ বছর। তিনি চান তার বাচ্চারা বড় হয়ে দেশের সেবায় জন্য সে’নাবাহি’নীতে অফিসার হয়ে উঠুক। এই মায়ের চে’তনার প্রতি কুর্নিশ যিনি শিশুদের লালন পা’লনের জন্য আ’ত্মস’ম্মানের সাথে লড়াই করে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
Close