আলোচিত নিউজ

‘ভাড়া চাচ্ছে ৩০০ টাকা, বাড়তি টাকা কে দেবে?’

অফিসে বাসে যেতে করোনার আগে লাগত ৪৫ টাকা। করোনাকালে ভাড়া বেড়ে হলো ৮০ টাকা। এখন মোটরসাইকেল ভাড়া চাচ্ছে ৩০০ টাকা। এই বাড়তি টাকা কে দেবে?’
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর আশপাশের সাত জেলায় চলছে কঠোর বিধিনিষেধ। বন্ধ আছে দূরপাল্লার বাস চলাচল। আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে কোনো দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি। তবে যাতায়াতে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়েছিলেন

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আসিফ ইকবাল। তিনি মেঘনাঘাটে কর্মস্থলে যাবেন। তিনি নিয়মিতই এই পথে যাতায়াত করেন। তিনি জানালেন, ‘অফিসে বাসে যেতে করোনার আগে লাগত ৪৫ টাকা। করোনাকালে ভাড়া বেড়ে হলো ৮০ টাকা। এখন মোটরসাইকেল ভাড়া চাচ্ছে ৩০০ টাকা। এই বাড়তি টাকা কে দেবে?’

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় কুমিল্লাগামী অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী কুমিল্লা প্রিমিয়াম প্লাস পরিবহনের একটি বাসে উঠে পড়েন। তখন পুলিশের সদস্যরা এসে যাত্রীদের আবার নামিয়ে দেন।
রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা যায়, শত শত মানুষ দূরপাল্লার বাসের জন্য অপেক্ষায়। বেশির ভাগই জানতেন না বাস চলাচল বন্ধের কথা। অনেকে আবার

জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েছেন। বাস না পেয়ে মোটরসাইকেল, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মিনিবাসে করে তাঁরা রওনা করছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর আশপাশের সাত জেলায় চলছে কঠোর বিধিনিষেধ। বন্ধ আছে দূরপাল্লার বাস চলাচল। আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে কোনো দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি। তবে যাতায়াতে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।

রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়েছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আসিফ ইকবাল। তিনি মেঘনাঘাটে কর্মস্থলে যাবেন। তিনি নিয়মিতই এই পথে যাতায়াত করেন। তিনি জানালেন, ‘অফিসে বাসে যেতে করোনার আগে লাগত ৪৫ টাকা। করোনাকালে ভাড়া বেড়ে হলো ৮০ টাকা। এখন মোটরসাইকেল ভাড়া চাচ্ছে ৩০০ টাকা। এই বাড়তি টাকা কে দেবে?

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় কুমিল্লাগামী অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী কুমিল্লা প্রিমিয়াম প্লাস পরিবহনের একটি বাসে উঠে পড়েন। তখন পুলিশের সদস্যরা এসে যাত্রীদের আবার নামিয়ে দেন।
রাজধানীর সাইনবোর্ড এলাকায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা যায়, শত শত মানুষ দূরপাল্লার বাসের জন্য অপেক্ষায়। বেশির ভাগই জানতেন না বাস চলাচল বন্ধের কথা। অনেকে আবার

জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েছেন। বাস না পেয়ে মোটরসাইকেল, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মিনিবাসে করে তাঁরা রওনা করছেন। বাস না পেয়ে অনেকে হেঁটে রওনা হয়েছেন। কেউ কেউ মিনিবাসে করে চিটাগাং রোড, মেঘনাঘাটের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন।
দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে সাইনবোর্ড মহাসড়কে হাঁটছেন মো. আমিন মিঞা। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না যে লকডাউন। বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা। রামপুরার বাসা থেকে সিএনজি করে সাইনবোর্ড আসছি। পিকআপ খুঁজতেছি, পিকআপে করে বাড়ি

যামু।’ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শুরু সাইনবোর্ড থেকে। এখানে ভোর ছয়টা থেকে সড়কের দুই পাশেই পুলিশের সদস্যরা প্রতিটি বাহন আটকাচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার অমৃত সূত্রধর বলেন, যেসব গাড়িতে থাকা আরোহীরা জরুরি কারণ দেখাতে পারছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অনেকে মিনিবাস, পিকআপে করে যাচ্ছেন, এ প্রসঙ্গে অমৃত সূত্রধর বলেন, ‘মিনিবাস ও পিকআপে যাতায়াতও নিষিদ্ধ। তবু মানুষ যাচ্ছে। জনবলসংকটের কারণে চোখ ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের নজরে

পড়লেই এসব বাহনও আটকাচ্ছি।’ এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় মালিবাগের সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারে কথা বলে জানা যায়, ভোর থেকে এই কাউন্টার থেকে দেশের সাত গন্তব্যে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। আগে থেকে টিকিট কেটে রাখা যাত্রীদের যাত্রা বাতিলের বিষয়টি মুঠোফোনে জানানো হয়েছে। সোহাগ পরিবহন প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত থেকেই যাত্রীদের না করা হয়েছে। তবে আজ সকালেও অনেক যাত্রী এসেছেন টিকিটের খোঁজে।

এই কাউন্টারেই কথা হয় ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, জরুরি কাজে আজ রাতে তাঁকে যশোরের বেনাপোল যেতে হবে। কিন্তু বাস কাউন্টারে এসে শুনলেন বাস চলাচল বন্ধ।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি বলছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লেই লকডাউন বা যান চলাচলে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। এতে ক্ষতির মুখে পড়ে পরিবহন খাত। অথচ করোনাকালে এই খাতে কোনো প্রণোদনা দেওয়া হয়নি। সকাল থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস চলছে না বলে জানান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, যে জেলাগুলোতে লকডাউন দেওয়া হয়েছে, ঢাকা থেকে বের হতে হলে এগুলোর ওপর দিয়েই যেতে হবে। এ কারণে সব দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close