আলোচিত নিউজ

চাঁদপুরে কাঁচা সড়কে ধানের চারা রোপন করে প্রতিবাদ

মাহফুজুর রহমান, চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বৃষ্টির পানি জমে থাকা কাঁদামাখা রাস্তায় ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় ও এলাকাবাসী। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার হাটিলা

পশ্চিম ইউনিয়নের পাতানিশ-নোয়াপাড়া-পদুয়ার খাল রাস্তার নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার কাঁচা রাস্তায় এই ধানের চারা রোপণ করে স্থানীয় তরুণ ও যুবকরা। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মানুষের চলাচলের দুর্ভোগের সৃষ্টি হওয়ায়

এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, হাজীগঞ্জ-কচুয়া-গৌরিপুর সড়কের হাজীগঞ্জ উপজেলা হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড পাতানিশ বিশ্বরোড থেকে নোয়াপাড়া হয়ে পদুয়ার খাল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে

পাতানিশ, নোয়াপাড়া, পদুয়া, বেলঘর, সাদিয়া-চাঁদপুরসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তাটি মাটির হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে কাদায় ভরে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে পানি জমে গর্তের সৃষ্টি হয়। তখন কাদামাখা এই রাস্তা দিয়ে কোন পরিবহন চলাচল-তো দূরের কথা মানুষ হেঁটেও চলাচল

করাটাও কষ্টকর। এলাকাবাসী এই দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তাটি পাকা করার দাবি অনেক আগে থেকে জানাচ্ছেন। কিন্তু এই রাস্তা পাকাকরণের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে স্থানীয়রা সংবাদকর্মীদের জানান। এই অবস্থায় নোয়াপাড়া গ্রামের কিছু তরুণ ও যুবক মিলে ওই কাঁচা সড়কে ধানের চারা রোপণ

করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এম. আলী মুজিব নামের স্থানীয় একজন ডেন্টাল প্রযুক্তিবিদ জানান, রাস্তাটি কমপক্ষে ৫০ বছরের পুরোনো। ওই রাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কয়েকবার মাটির কাজ করে উন্নয়ন করা হলেও আজ পর্যন্ত পাকাকরণ হয়নি। যার কারণে বর্ষাকাল এলেই দুর্ভোগের সীমা থাকে না। তাই রাস্তাটি

পাকাকরণে স্থানীয় সংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এই রাস্তার উন্নয়নে কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না উল্লেখ করে অ্যাড. মো. গোলাম কাউছার শামিম তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্টে করেন। যার সার সংক্ষেপ হলো- আওয়ামী সরকারের এত

উন্নয়নমূলক কাজ। সামান্য একটি রাস্তার কারণে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রতি মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা জনগণের মাঝে অপপ্রচার চালিয়ে সরকারের উন্নয়নের বিষয়ে মিথ্যাচার করতে সুযোগ পাচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকির হোসেন লিটু জানান, আমাদের সংসদ সদস্য

মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম রাস্তার বিষয়টি জানেন। তিনি রাস্তাটির উন্নয়নে অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকায় রেখেছেন। আশা করি নতুন করে বরাদ্দ এলে রাস্তাটি পাকাকরণ করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close