মানবাতা ও সমাজ

শেষ নিঃশ্বাসের আগেও এক টাকা হারাম যেন খেতে না হয় এসপি?

লনিজ কর্ম এলাকায় তিনি একজন পরোপকারী এবং সৎ-মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত।ফরিদ উদ্দীন স’ম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন বেঁচে থাকার জন্য টাকা দরকার আছে এটা ঠিক তবে আমা’র এক টাকাও

হারাম কিংবা অবৈধ টাকার
দরকার নেই। আমার শেষ নিশ্বাসের আগেও যেন এক টাকা হারাম খেতে না হয় আল্লাহর কাছে এটাই আমা’র চাওয়া।সিলেট জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) পদে স’ম্প্রতি যোগদান করেছেন ঢাকা

মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার
মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন। সাহসী এই পুলিশ কর্মকর্তা চাকরি জীবনের শুরু থেকেই গরীব ও অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করে আ’সছেন বৃদ্ধ মায়ের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নিয়ে রাতের আঁধারে তাকে রাস্তায় ফে’লে দেন দুই সন্তান।এমন খবর পেয়ে

ওই বৃ’দ্ধাকে উ’দ্ধার করেন নারায়ণগঞ্জ জে’লার আড়াইহাজার থা’নার ওসি নজরুল ইসলাম। এরপর আ’টক করেন ওই দুই ছেলেকে। পরে ওসির উদ্যো’গে দুই সন্তানের কাছ থেকে বৃ’দ্ধার নামে ২ শতাংশ জমি লিখিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে এমন ভালো
কাজ করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি নজরুল ইসলাম মঙ্গলবার (২৫ জুন) বৃ’দ্ধা খোদেজা বেগমকে বুকে টেনে নিয়ে ওসি নজরুল

বলেন, আপনি আমর মা। আপনি একা নন। আপনার এমন হাজারো ছেলে আপনার পাশে দাঁড়াবে।বৃ’দ্ধা খোদেজা জা’নান,
১৯৭১ সালে তার স্বামী বিল্লাত আলী দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মা’রা যান। পরে পৈত্রিক সূত্রে সন্তানরা জমির মালিক হন এক পর্যায়ে বৃ’দ্ধা তার বাবার বাড়ির জমি ও নিজে’র স্বামীর কাছ থেকে প্রাপ্য ২০ শতাংশ জমি চার বছর আগে সন্তানদের

নামে লিখে দিয়েছিলেন। এরপর ভাত-কাপড়তো দূ’রের কথা, সন্তানদের কাছে মাথা গোজার অবস্থাও ছিল না তার এমনকি ছেলের বৌরাও তাকে বিভিন্ন সময় মা’রধ’রও করতো। ১৫ দিন আগে ছেলেরা তাকে রাতের আধারে রাস্তায় ফে’লে যায়। তার
থাকার ঘরেও তারা তালা ঝুলিয়ে দেয়। চৈতনকা’ন্দা এলাকায় একটি রাস্তায় সে প’ড়ে ছিল। খবর পেয়ে নিজ উদ্যো’গে ও’সি

তাকে তুলে নেন। এ ঘ’টনায় দুই ছেলেকে পু’লিশ আ’টক করে। পরে তাদের কাছ থেকে বৃ’দ্ধার নামে ২ শতাংশ জমি লিখিয়ে
নেন। এতে তার মাথা গোজার ঠাঁই হয়েছে ওই বৃদ্ধা বলেন,‘আল্লায় (ওসি) পোলাডার ভালো করুক। আমা’র কাছে তো ওরে দিমু তেমন কিছু নাই।

তবে আল্লাহয় ওর ভালো করব। অনেক বড় অইব দোয়া দিলাম।’ওসি নজরুল ইসলাম বলেন,
আমি একজন অ’সহায় মায়ের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি বৃ’দ্ধার থাকার একটু ব্যব’স্থা করে দিতে পেরেছি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close