হেফাজত ইসলাম

হেফাজতের আহবায়ক কমিটিতে আছেন যারা

চলমান অস্থির ও নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

পরে রাত আড়াইটার দিকে তিন সদস্যের নতুন আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরই ভোর চারটার দিকে জানানো হয়, আহবায়ক কমিটিতে আরো দুইজনকে যুক্ত করা হয়েছে।
কমিটিতে জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির, আল্লামা নুরুল ইসলামকে মহাসচিব এবং মাওলানা সালাহউদ্দীন নানুপুরী ও দেওনার পীর

অধ্যক্ষ মিজানুর রহমানকে সদস্য করা হয়। এছাড়া মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে আহ্বায়ক কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে।
গত বছরের ১৫ নভেম্বর জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট হেফাজতের কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আহমদ শফীর ছেলে আনাস

মাদানীর অনুসারী কাউকে রাখা হয়নি। এরপর থেকে তাঁরা এই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়ে আসছেন।ব্রিটেনের খ্যাতনামা খেলনা প্রস্তুতকারক সংস্থা হ্যামলেসের পর এবার আরো একটি বিখ্যাত সম্পত্তির মালিক হলেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি। সম্প্রতি ব্রিটেনের বিখ্যাত স্টোক পার্ককে কিনে নিলো তার সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেড।

খরচ পড়ল ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৫৯৩ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৬৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা ৮৪ হাজার টাকা)। এর ফলে ব্রিটেনের আইকনিক কান্ট্রি ক্লাব এবং বিলাসবহুল গলফ রিসর্টের মালিক বনে গেলেন এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি তথা ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ অম্বানি।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্রিটেনের বাকিংহামশায়ারের বিলাসবহুল হোটেল এবং গলফ কোর্স রিলায়েন্সের কনজিউমার অ্যান্ড হসপিটালিটি সম্পদে যুক্ত হল। জানা গেছে, ৩০০ একরের ব্রিটেনের এই পার্কটির ভিতরে রয়েছে বিলাসবহুল হোটেল, কনফারেন্স সুবিধা।

এছাড়াও রয়েছে খেলাধুলার একাধিক উপকরণ। শুধু তাই নয়, ইউরোপের অন্যতম বড় গলফ কোর্সও রয়েছে এখানে। যেখানে আবার জেমস বন্ডের দুটি ছবি গোল্ডফিঙ্গার ও টুমরো নেভার ডাইস সিনেমা দুটির শুটিং হয়েছিল। গোল্ডফিঙ্গার সিনেমার পর থেকেই এই গলফ কোর্সটির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে। এছাড়াও এখানেই সম্পন্ন হয়েছে ‘ব্রিজেট জোনসেস ডায়েরি’ এবং

নেটফ্লিক্সের ‘দ্য ক্রাউন’ সিনেমার শুটিং।এই স্টোক পার্কটি আসলে ৯০০ বছরের পুরনো। ১৯০৮ সাল পর্যন্ত এটি ছিল ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। এতে রয়েছে ৪৯টি বিলাসবহুল বেডরুম, ২৭টি গর্তের গলফ কোর্স। এছাড়াও রয়েছে ১৩টি টেনিস কোর্ট এবং ১৪ একরের বাগান।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৯ সালে ব্রিটেনের খেলনা প্রস্তুতকারক হ্যামলেসও কিনে নিয়েছিলেন মুকেশ আম্বানি। তারপর এবার তার সম্পত্তিতে জুড়ল এই স্টোক পার্ক। করোনা আবহে ব্যবসায়িক দিক থেকে খুব একটা আর্থিক ক্ষ’তির মুখে পড়তে হয়নি রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ আম্বানিকে।

এই সময় তার সংস্থায় লগ্নি করেছে ফেসবুক, গুগলের মতো সংস্থা। এছাড়া অন্যান্য ব্যবসাতেও লাভের মুখই দেখেছেন রিলায়েন্স কর্ণধার। বর্তমানে আবার তিনি এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি। মুকেশ আম্বানির সম্পত্তির পরিমাণ ৭১৫০ কোটি ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি রুপি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close