ইসলাম ধর্ম

এবার ঝিনাইদহে বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ

ঝিনাইদহে বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ বৈশাখের ১৪ দিন অতিবাহিত হলেও ঝিনাইদহে বৃষ্টির দেখা নেই। তীব্র দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পানির স্তর নিচে চলে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে সংকট। ব্যাহত হচ্ছে সেচ কাজ। হুমকির

মুখে কৃষি ব্যবস্থা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে একটু বৃষ্টির আশায় ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বৃষ্টির জন্য বিশেষ নামাজ (সালাতুল ইস্তেখারা) আদায় করেছেন উত্তর মির্জাপুরের মানুষ। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে

খোলা আকাশের নিচে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন উত্তর মির্জাপুর জামে মসজিদের মাওলানা ইমাম মোহাম্মদ উল্যাহ। এ বিষয়ে ইমাম মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছেন। বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ সালাতের

মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া সুন্নাত। আর এ চাওয়াকে আরবিতে ‘সালাতুল ইস্তেখারা’ বলা হয় অর্থাৎ পানির জন্য দোয়া করা। উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহে একই উপজেলার আবায়পুর গ্রামের মাঠে মানুষ প্রথমবার বৃষ্টির জন্য ‘সালাতুল ইস্তেখারা’ নামাজ আদায় করেছিলেন। আরও সংবাদ বিয়ের

আগেই প্রেমিকের বাড়িতে বাচ্চা প্রসব, এলাকায় তোলপাড় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কালা গ্রামে এক অবিবাহিত তরুণী তার কথিত প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে বাচ্চা প্রসব করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ঘটনাটি রোববার ভোর রাতে হয়েছে। সদ্য বাচ্চা প্রসবকারী তরুণীকে প্রেমিক রাজুর পরিবার মেনে না নেয়ায় তিনি এখন একই গ্রামে

দাদা শাহাদত মন্ডলের বাড়িতে অবস্থান করছেন। ওই তরুণী চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার্থী। অপর দিকে একই গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে রাজু মিয়া (২০) এইচএসসি পরিক্ষার্থী। তরুণীর মা-বাবা ঢাকা শহরে গার্মেন্টসকর্মী হিসেবে চাকরি করেন। ওই সুবাদে মেয়েটি ঢাকা শহরে লেখাপড়া করেন। তরুণী জানান, তার সাথে রাজুর গত পাঁচ বছর ধরে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক চলে

আসছিল। আমাদের মধ্যে মন দেনা-নেয়ার একপর্যায়ে বেশ কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়। এর ফলে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি। ব্যাপারটি রাজুকে জানালে সে আমাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বলে আমরা এখন থেকে বিবাহিত। দিনে দিনে গর্ভের সন্তানের বয়স ১০ মাস হলে আমি ঢাকা থেকে সম্প্রতি দাদার বাড়িতে চলে আসি। আমার শরীরের তেমন কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় আমি অন্তঃসত্ত্বা তা কেউ টের পায়নি। এদিকে রোববার

ভোর ৪টার দিকে আমার প্রসব বেদনা শুরু হলে আমি দাদার বাড়ি থেকে রাজুদের বাড়িতে চলে যাই। রাজুদের বাড়ির উঠানে পুত্র সন্তানের জন্ম হলে রাজুর পরিবার তা মেনে না নেয়ায় লোকজন আমাকে সন্তানসহ দাদার বাড়িতে রেখে যায়। রাজু আমাকে বিয়ে করেছে বললেও সে আমাকে বিয়ের পক্ষে কোনো কাগজপত্র দেয়নি। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রাজুর বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয়

পাওয়া মাত্র তিনি মোবাইল ফোনটি কেটে দেন। তবে রাজুর বাবা মহিউদ্দিন ও মা ববিতা খাতুন বলেন, রাজুর সাথে মেয়েটির কোনো সম্পর্কের খবর আমাদের জানা ছিল না। রোববার ভোরের দিকে হঠাৎ করেই মেয়েটি আমাদের বাড়িতে আসে এবং বাচ্চা প্রসব করে ও রাজুকে বাচ্চার বাবা দাবি করে। মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্টওয়ার্ড সদস্য ইদবারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার ব্যাপারটি আমরা স্থানীয়ভাবে আপস নিস্পত্তির চেষ্টা চালাচ্ছি, দেখা যাক কী করতে পারি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close