আন্তর্জাতিক

মর্গে মিলছে না ঠাঁই, মোদি বললেন ধৈর্যের পরীক্ষা

ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। দিশটির বিভিন্ন প্রান্তে সৃষ্টি হয়েছে অক্সিজেনের চরম সংকট। জ্বালানো হচ্ছে গণচিতা। জায়গা মিলছে না হাসপাতালের মর্গে। এমতাবস্থায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র

মোদি বলেছেন, ‘ধৈর্যের পরীক্ষা চলছে’ বিষয়টি নিয়ে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মোদি জানিয়েছেন, এখন করোনার সঙ্গে মোকাবিলার সময় এসেছে। দেশবাসীর কাছে ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে করোনা।

মোদি বলেন, করোনা অনেকের প্রিয়জনকে কেড়ে নিয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই জিততেই হবে। দেশে করোনা সংকট মোকাবিলা করতে কেন্দ্র ও রাজ্যকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে। প্রত্যেক রাজ্যকে সহযোগিতার আবেদন করছি। কেন্দ্র-রাজ্যকে একসঙ্গে জোট বেধে কাজ করতে হবে। মোদি আরও

বলেন, করোনা ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। মানুষ কতটা কষ্ট সহ্য করতে পারে, তারও পরীক্ষা নিচ্ছে। ভয় পাবেন না। তার চেয়ে সচেতন হন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে চলুন। দেশে বিনামূল্যের টিকাকরণ কর্মসূচি চলবে। আরও পরুন=দিল্লির একটি হাসপাতাল, শান্তি মুকন্দ’এ অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাব দেখা দেয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রোগীরা অক্সিজেনের অভাবে বিপর্যস্ত।এই ভিডিও নজর কাড়ে সাবেক বিশ্বসুন্দরী, বলিউড অভিনয়শিল্পী সুস্মিতা সেনেরও।
তিনি টুইটবার্তায় লেখেন, “এই হাসপাতালের জন্য কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করতে পারবেন। কিন্তু মু্ম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সহায়তা প্রয়োজন।”সুস্মিতা সেনের এই টুইট

বার্তায় সকলেই তাকে সাধুবাদ জানান।অবশেষে টুইট-বন্ধু শ্বেতা জেরি তাকে সহায়তা করেন অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলো পৌঁছে দিতে।
সুস্মিতা সেন পরের একটি টুইটে তাকে ধন্যবাদ দিতেও ভুলেননি।কিছুদিন আগেই এই ভারত সুন্দরী ‘চ্যাম্পিয়ন অব চেইঞ্জ’ অ্যাওয়ার্ডে সম্মানিত হয়েছেন। সমাজসেবা ও হিতকর কাজের জন্য তাকে এই সম্মান জানানো হয়।তিনি ইন্সটাগ্রামে লাইভে এসে এই প্রাপ্তির আনন্দও প্রকাশ করেছিলেন। নিউজএইটিন. ডটকমের

থবরে প্রকাশ, শুধু সুস্মিতা সেনই নয় বলিউড ও টলিউডের অন্যান্য শিল্পীরাও সঙ্কট মোকাবিলায় এগিয়ে আসছেন।অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকার নিজে প্লাজমা দেওয়ার জন্য তৈরি। অন্যদেরও প্লাজমা দানে উৎসাহ করছেন ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে। অক্সিজেন সিলিন্ডার-সহ অন্যান্য সাহায্য দিতেও প্রস্তুত তিনি।টেলিভিশন অভিনেতা গুরমিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছে,

তিনিও সব রকম সহায়তা করতে তৈরি। নিজে একটি দল গঠন করেছেন। আক্রান্তদের কাছে অক্সিজেন, ইনজেকশন পৌঁছে দিচ্ছেন। এমনকি হাসপতালে কীভাবে বেড পেতে পারেন সে ব্যবস্থা করছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close