ইসলাম ধর্ম

আগুনে পুড়ল পেনশনের তিন লাখ টাকা, অক্ষত কোরআন শরীফ

আগুন আর কতোটুকু পোড়ে? সীমাবদ্ধ ক্ষয় তার সীমিত বিনাশ। মানুষের মতো আর অতো নয় আগুনের সোনালি সন্ত্রাস। আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে গেলেও মানুষের কষ্ট যেন শেষ হবার নয়।
নতুন খবর হচ্ছে, মুন্সিগঞ্জ সদরে সাবেক

এক সরকারি কর্মচারীর বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বসতঘর, আসবাবপত্রসহ পেনশনের নগদ তিন লাখ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে আগুন পোড়েনি ঘরে থাকা পবিত্র কোরআন শরীফ।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের কাশিপুর এলাকায় হাবিবুর রহমানের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন: নিজ হাতে কোরআনের পাণ্ডুলিপি লিখলেন ৭৬ বছরের বৃদ্ধা !পুরো নাম জায়নাব আব্দুল গনি মুহাম্মাদ হুসাইন। সাত বছরের কর্মসাধনায় তিনি পবিত্র কোরআনের ৩০টি পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন।পুণ্যবতী এ নারী মিশরের মিনিয়া প্রদেশের আল-তালিন গ্রামের অধিবাসী। তিনি ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া

করেছেন। জীবনসায়াহ্নে এসে নিজ হাতে পবিত্র কোরআনের ৩০টি পাণ্ডুলিপি লিখে তিনি অনন্যতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার পাঁচ ছেলে এবং দুই মেয়ে রয়েছে। আমার পিতা সম্পূর্ণ কোরআনের হাফেজ ছিলেন। তিনি এডুকেশন সেক্টরে কাজ করতেন। আমি প্রায় ৭ বছর পূর্বে কোরআন লেখার কাজ আরম্ভ করি। সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ

করার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সময়স্বল্পতা ও আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন কারণে পরিনি। এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ পারা মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছি। এ জন্য আমার সবসময় খুব দুঃখবোধ কাজ করে।কিন্তু আমাদের এলাকার একজন নারী আমাকে পবিত্র কোরআন নিজ হস্তাক্ষরে লেখার জন্য পরামর্শ দেন। তার পরামর্শ আমাকে বেশ অনুপ্রাণিত করে। এরপর থেকে আমি প্রতি রাতে ঘুম থেকে উঠে প্রথম ৬ দিনে এক হাজার আয়াত লিখি। এতে আমার আগ্রহ

আরো বেগ পায়। তাই সম্পূর্ণ কোরআন লেখায় মনোনিবেশ করি। গুরুত্ব ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তিনি আরো বলেন, আমি মাত্র ২৫ দিনে সম্পূর্ণ কোরআন লিখে শেষ করতে পেরেছি।
আমার সন্তান ঈমান ওমরার যাওয়ার সময় সঙ্গে করে একখণ্ড পাণ্ডুলিপি নিয়ে যাবে। আশা করছি, পবিত্র কোরআনের বিশেষজ্ঞরা আমার তৈরিকৃত পাণ্ডুলিপিটি পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close