মানবাতা ও সমাজ

অসহায় সেই রিক্সা চালক কে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে পাশে দাঁড়ালো নোয়াখালীর কৃতি সন্তান!

শারীরিক প্রতিবন্ধী রিক্সা চালক রফিক কে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নোয়াখালীর কৃতি সন্তান সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আহসান

হাবিব ভূঁঞা এর আগেও তিনি এরকম খুঁজে খুঁজে বের করে অসংখ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সুত্রঃ নোয়াখালী টিভি

আরো পড়ুন
চাল কেনার টাকা নেই, সেন্ধ আলু খেয়ে রোজা রাখছেন ভ্যান চালক নুরনবী ‘আলু সিদ্ধ খ্যায়া দুই দিন থাকি রোজা আচু। দুই কেজি চালের টাকা রোজগার করতে না পারলে আইজও আলু সিদ্ধ খাওয়ার নাগবে।’ এভাবেই নিজের বর্তমান অবস্থার কথা

বর্ণনা করছিলেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার দরিদ্র রিক্সা-ভ্যান চালক নুরনবী (৬০)। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের সাদুল্যাহপুর গ্রামে রাস্তার মোড়ে ভ্যান নিয়ে অলস সময় কাটাচ্ছিলেন নুরনবী। এ সময় তার সঙ্গে কথা হয়।

পাশের নিঝাল গ্রামে তার বাড়ি। এ সময় নুরনবী বলেন, ‘আইজ কয়দিন থাকি নকডাউন (লকডাউন) হওচে। সেই থাকি কোন কামাই রোজগার নাই। বাইরে মানুষ বাইর হয় না। ভ্যানে যাত্রী ওঠে না। ঘরোত চাউল নাই। খায়া না খায়া দিন কাটোছে হামার।

বউ ছইল নিয়া খুব কষ্টে আছি।’জানা যায়, নুরনবীর পরিবারে ৬ সদস্য। সবচেয়ে ছোট ৭ বছরের মেয়ে। ৪ শতক জমিতে খড়ের বেড়া দিয়ে ঘর বানিয়ে বসবাস করেন তিনি। আবাদী জমি নেই এক শতকও। এ সময় আক্ষেপ করে নুরনবী জানান, ‘সরকারি

কোন অনুদান, ভিজিডি, ভিজিএফ, কিংবা বয়স্ক ভাতা সুবিধা পাননি তিনি। লকডাউনের কারণে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টা পর্যন্ত এক টাকাও রোজগার হয়নি তার। চালের টাকা রোজগার করতে না পারলে হয়তো আজও সেন্ধ আলু খেয়ে রোজা

থাকতে হবে তার।
তিনি জানান, নিজেরা কোনরকমে আলু খেয়ে দিন কাটালেও ছোট সন্তানটি খেতে চায় না। ভাত খাওয়ার বায়না ধরে। এই বিষয়টি জেনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন ভুঁইয়া বলেন, বর্তমানে নিন্ম আয়ের মানুষেরা খুব কষ্টে আছে। ওই ভ্যান চালককে সরকারি সহযোগিতা দেওয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close