আন্তর্জাতিক

রমজানে ৩৬টি দেশে ৯০ হাজার কুরআনের কপি ও ইফতার বিতরণ করবে তুরস্ক!

রমজানে ৯০ হাজার কুরআনের কপি ও ইফতার বিতরণ করবে তুরস্ক করোনা মহামারিরর প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে ১৪৪২ হিজরির রমজান মাসে বিশ্বের প্রায় ৩৬টি দেশে প্রবিত্র কুরানুল কারিমের পাণ্ডুলিপি বিতরণ করবে তুরস্ক। দেশটির

ধর্মমন্ত্রণালয় কুরআনের কপি বিতরণের এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সি। কুরআন নাজিলের মাসে বেশি বেশি কুরআন অধ্যয়ন ও কুরআনের আলোকে জীবন গড়তে এ উদ্যোগ নিয়েছে তুরস্কের ধর্মমন্ত্রণালয়। তুর্কি সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয় গত

পাঁচ বছরের ন্যায় এবারও বিশ্বের ৩৬টি দেশের ঘরে ঘরে কুরআনের কপি পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ নিয়েছে। তুরস্কের ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আফ্রিকা মহাদেশের দারিদ্র্যপীড়িত ৩৬ টি দেশে কুরআনের ৯০ হাজার কপি বিতরণ করা হবে।। তাছাড়াও কুরআনুল কারিমের পাণ্ডুলিপি বিতরণের

পাশাপাশি এসব দেশের দরিদ্র মানুষদের কাছে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়। রোজা রাখলে জীবাণু মারা যায়, নোবেল বিজয়ী জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি রোজা রাখলে ধ্বং’স হয় ক্যান্সারের ভা’ইরাসের জীবাণু। গবেষণায় উঠে এসেছে

এমনই এক তথ্য। রোজার ওপর গবেষণা করে এ ফল জানিয়েছেন জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি।
এ বিষয়টি নিয়ে ওশিনরি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি’ নামক একটি শারীরিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কার করেন এবং নোবেল পুরস্কার পান।
কীভাবে রোজার মাধ্যমে ক্যানসারের জীবাণু ধ্বং’স হয় সেটি জানতে হলে শুরুতে জানতে হবে ‘অটোফেজি’ সম্পর্কে।

‘অটোফেজি’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় যার অর্থ হচ্ছে আত্মভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা।
এটি এমন একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শরীরের ক্ষয়িষ্ণু ও অপ্রয়োজনীয় কোষাণুগুলো ধ্বং’স ও পরিচ্ছন্ন হয়। এটি হলো কোষের এক আবর্জনা পরিচ্ছন্নকরণ প্রক্রিয়া। রোজার সময় আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষগুলো নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে

না। সক্রিয় কোষগুলো সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এক কথায়, কোষের কার্যক্ষমতাকে ঠিক রাখতে এই প্রক্রিয়ার কোনো বিকল্প নেই। দেহ যখন সংকটাবস্থায় থাকে তখন এই অটোফেজিই দেহকে বাঁচিয়ে রাখে। অটোফেজি আবিষ্কারের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের স্বাস্থ্য সচেতন অনেক মানুষ সারা

বছরে বিভিন্ন সময় ‘অটোফেজি’ করে শরীরকে সুস্থ রাখেন। অনেক ধরনের ক্যানসারের জীবাণু ‘অটোফেজি’তে মারা যায় বলে এটি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে বেশি সমাদৃত। রোজা ছাড়াও ক্যানসারের জীবাণু ধ্বং’সের ক্ষেত্রে বেইজিং সামরিক হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অধ্যাপক চেন হোরিন বলেন, ‘গরম পানি এবং লেবু- এই দুইয়ের মিশ্রণ ক্যানসার কোষকে মেরে ফেলে।

এক কথায় এক গ্লাস গরম পানি আর লেবু আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে।’ বিজ্ঞানের ভাষায় গরম লেবু থেকে এন্টি ক্যানসার ড্রাগ বের হয়। শুধু ক্যান্সার নয়, টিউমারের ওপরও গরম লেবুর রসের একটি কার্যকরী প্রভাব আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close